bengali

প্রবেশিকা প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে পারবেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও, সিদ্ধান্ত ভর্তি কমিটির

Webdesk | Thursday, July 12, 2018 11:11 AM IST

প্রবেশিকা প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে পারবেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও, সিদ্ধান্ত ভর্তি কমিটির

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা বিভাগে প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে সমস্যা আপাতত মিটেছে। ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের কাছে নতি স্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। চাপের মুখে পড়ে এ বার ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালনা নিয়েও সুর বদল করল সেখানকার ভর্তি কমিটি।

বুধবার যাদবপুর-কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন, কলা বিভাগের ছ’টি বিষয়ের ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও যোগ দিতে পারবেন। ঘোষণা করা হয়েছে পরীক্ষা এবং ভর্তির দিনও। ৩ জুলাই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হওয়ায় কর্তৃপক্ষ পরে ফের কর্মসমিতির বৈঠক ডাকতে বাধ্য হন।

সুর বদলের ফলে জট পুরোপুরি কাটছে, এমন কথা বলা যাচ্ছে না। কেননা প্রবেশিকায় বাইরের বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গিয়েছে। এ দিন ভর্তি কমিটির বৈঠকের পরে রেজিস্ট্রার চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান, বাইরের কোনও ‘সংস্থা’-কে পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত রাখা হবে না এবং কোনও ‘আউটসোর্সিং’ হবে না। পুরো পরীক্ষা পরিচালনা করবে বিশ্ববিদ্যালয়ই। তত্ত্বাবধানে থাকবেন কলা বিভাগের ডিন শুভাশিস বিশ্বাস এবং রেজিস্ট্রার (চিরঞ্জীববাবু)। সহায়তা করবেন পরীক্ষা নিয়ামক সাত্যকি ভট্টাচার্য। প্রবেশিকায় যুক্ত থাকতে পারবেন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও।

প্রশ্নপত্র তৈরি বা খাতা দেখার ক্ষেত্রে কি অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ যুক্ত থাকবেন? রেজিস্ট্রার বলেন, 'এটা প্রশাসনিক গোপনীয়তার বিষয়। এটা বলা যাবে না। তবে এটুকু বলতে পারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকতে পারবেন। কর্মসমিতিতে এটাও ঠিক হয়েছে।' 

শিক্ষক সংগঠন জুটা-র সহ-সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, 'শিক্ষকদের যোগ্য সম্মান দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।' এ দিনই কলকাতার একটি কলেজের এক অনুষ্ঠানে যাদবপুরের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি, ছাত্রছাত্রীদের গণতান্ত্রিক অধিকার আছে। কিন্তু সেই অধিকার প্রয়োগের জন্য অন্যের গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। সেটা গণতান্ত্রিক পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া নয়।' যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েই তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলেই দাবি শিক্ষা শিবিরের।